রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া বলেছেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষা ও অবকাঠামোসহ সার্বিক উন্নয়নের জন্য ৫০ বছর মেয়াদী এক মহাপরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো এই পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।

শনিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীনস কমপ্লেসে লালমনিরহাট জেলা সমিতি আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা গ্রহণকালে এক বক্তব্যে এ তথ্য জানান তিনি।

উপ-উপাচার্য বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগে ১৯৬২ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছিল। স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে আমরা একটি পরিকল্পনা নিতে যাচ্ছি। ৫০ বছর মেয়াদী এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের অনেক নামিদামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সব বিষয়ে পাল্লা দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। ’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ৩৬৪ কোটি টাকার কাজ বর্তমানে চলছে। যার ১২৫ কোটির কাজ শুরু হয়েছে। এই ১২৫ কোটি টাকার আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজী ভবন, চতুর্থ বিজ্ঞান ভবন, কৃষি অনুষদ, চারুকলা অনুষদ ভবন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের বর্ধিতাংশের কাজ চলছে। বাকী টাকার কাজ আগামী বছর শুরু হবে।

তার মধ্যে একটি ২০তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন, ১০তলা বিশিষ্ট দুটি আবাসিক হল ও একটি ডরমেটরি। এসব কাজ আগামী বছর মার্চ-এপ্রিলের দিকে শুরু হতে পারে। ’ 

এছাড়া উপ-উপাচার্য অধ্যাপক জাকারিয়া তার কৈশোর, শিক্ষাজীবন ও কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধিকর্তা অধ্যাপক ফখরুল ইসলাম, দর্শন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম ফারুকী।

সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খন্দকার মো. খালিদ বিন ফেরদৌস।

সংস্কৃত বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রিফাত সুলতানার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন- জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান সাজু।

এসময় উপস্থিত ছিলেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবিএম সাইফুল ইসলাম, আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল আলীমসহ জেলা সমিতির শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী।

সূত্র-বাংলাদেশ প্রতিদিন