মোহম্মদ মানিক হোসেন:

সামনেই উপজেলা পরিষদ  নির্বাচন। নির্বাচনে মাঠের প্রচারণার পাশাপাশি চলছে প্রার্থীদের অনলাইন প্রচার প্রচারণা। সীমাহীন প্রচারের শেষ না থাকলেও যাচাইয়ের জায়গাটা কোথায়। কিংবা প্রত্যাশার কথাগুলো  তরুণ ভোটাররা কীভাবে জানবে।

টাকায় বিক্রি হয়ে ভোট দিবেন না। আপনার ভোটাধিকার আপনি প্রয়োগ করুন। কোন অবস্থাতেই ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকবেন না। “ভোট দেয়া অবশ্য কর্তব্য বা ভোট অবশ্যই দিতে হবে” এটা রাষ্ট্রীয় এবং শরিয়তের উভয় দিকেরই নির্দেশনা। আপনি একজন মানুষ এটা ভেবে ভোট দিবেন। মানুষ হিসেবে মনুষত্বের দিকটা বিবেচনায় রাখবেন।

বিবেকের ফয়সালা যাচাই করে ভোট দিবেন। বিবেক হলো সবচেয়ে বড় আদালত। নির্বাচনে দাঁড়ানো প্রার্থীদের বিবেকের আদালতে দাঁড় করিয়ে দেখবেন কে ভোট পাবার যোগ্য। তাকেই ভোট দিবেন।

গরীব মেহনতি মানুষের আপন কারা এটা বিবেচনা করে ভোট দিবেন। গরীবদের শোষণ করে অর্থ-বিত্তের মালিক হয়েছে যারা তাদের ভোট দিবেন না। তাদেরকে জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ দিবেন না।

আপনি কাকে ভোট দিচ্ছেন, সে কতটুকু যোগ্য, তার নীতি আদর্শও বা কী এগুলো বিবেচনা করছেন কী না তা আল্লাহ তায়ালা দেখছেন বিবেচনা করেই ভোট দিবেন।

নির্বাচিত প্রার্থীর ভালো খারাপের সমান অংশীদারিত্ব পাবেন ভেবে ভোট দিবেন।মানুষ কখনও টাকায় বিক্রি হতে পারে না। টাকায় বিক্রি হয় গরু ছাগল। তাই টাকায় বিক্রি হয়ে ভোট দিবেন না কোনভাবেই। যারা টাকা দিতে চায় তাদের আগে বয়কট করবেন। মনে রাখবেন, আপনাকে পাঁচশ এক হাজার টাকা দিয়ে আপনার উপর থেকে পাঁচশ হাজার কোটি টাকা কামাই করে নেবে।

নষ্ট রাজনীতির সঙ্গ দিবেন না। যারা আপনাকে ব্যবহার করে নষ্ট রাজনীতি করতে চায় তাদের সঙ্গী হবেন না। তারা আপনার ভোটে নির্বাচিত হয়ে নষ্ট রাজনীতি করবে। তাই তাদের অপকর্মের সুজোগ দিবেন না কোনভাবেই। আপনি জানেন এবং বোঝেন আল্লাহ তায়ালা সব দেখছেন  তাই বিবেচনা করে ভোট দিবেন।

ভালো থাকবেন: