মোঃ নুরনবী ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় শ্বশুর পরিবারের নির্যাতনের স্বীকার হয়ে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে জামাই আনারুল ইসলাম (২৪) এর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। আনারুল ইসলাম উপজেলার ছাতিয়ানগড় গ্রামের বড় জমির পাড়া এলাকার কফিল উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় আনারুলের বাবা কফিল উদ্দিন বাদী হয়ে খানসামা থানায় আত্মহত্যা’র প্ররোচনায় অভিযোগ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৭জুন সোমবার আনারুল তাঁর বউ লিমা আক্তারকে আনতে উপজেলার জুগীরঘোপা গ্রামের ফকিরপাড়ায় শ্বশুর ছলেমান আলীর বাড়ি যান। যাওয়ার পর মিথ্যা অজুহাতে তার শ্বশুর ছলেমান আলী, শ্যালোকা আলিম উদ্দীন, আঃ মজিদ, আবুল কালাম, শাশুড়ী তসলিমা বেগম, স্ত্রী লিমা আক্তার আনারুলকে মারডাং করে। এক পর্যায়ে আনারুল তার জীবন রক্ষার্থে পালিয়ে নিজ বাড়িতে চলে এসে বাবা-মাকে ঘটনাটি বলেন। এর আগেও লিমা আক্তারকে তার বাবার বাড়ি থেকে আনতে আনারুলের বাবা-মা তার শ্বশুর বাড়িতে গেলে তাদেরকেও লাঞ্চিতসহ মারডাং করে। এসব ঘটনা সহ্য করতে না পারায় আনারুল গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পরে। পরে আনারুলের বাবা-মা তাকে অসুস্থ অবস্থায় পাকেরহাট হাসপাতালে নিয়ে আসে। আনারুলের অবস্থা বেগতিক হওয়ায় দায়িত্বরত চিকিৎসকরা তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনারুল মারা যায়।

এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ শেখ কামাল হোসেন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ হয়েছে। সেটি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।