মোঃ নুরনবী ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার নেউলা গ্রামে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের ফলে বাড়ির সম্মুখ ও পিছনের দরজায় বেড়া দিয়ে বাড়ি ঘেরাও এর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি উপজেলার খামারপাড়া ইউনিয়নের নেউলা গ্রামের গণি হাজী পাড়া এলাকায়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খামারপাড়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বজলার রহমানের পৈত্রিক ও কবলা খরিদা সম্পত্তির সীমানা অতিক্রম করে তার ভাই আশরাফ আলীর নেতৃত্বে জোরদখলের চেষ্টা করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় আকস্মিকভাবে আশরাফ আলী, তার ছেলে সফিকুল ও স্বাধীন, ভাতিজা সামিউল, নাতি সহিদুল ও শরিফ, নাতি জামাই জব্বার, ভাতিজা সাইফুল, দূরসম্পর্কের নাতি শাহিনুরসহ কয়েকজন মিলে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বজলার রহমানের বাড়ির সম্মুখ ও পিছনের দরজা বন্ধ করে বেড়া দিয়ে তাদের বের হওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এরপর তারা বজলার ও তার ছেলে মাহবুর রহমানকে প্রাণে মেরে ফেলতে মারমুখী হওয়ায় তারা বাড়ির অন্যপাশ দিয়ে পালিয়ে যায় এবং পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে বাড়ির লোকদের উদ্ধার করে ও বেড়া তুলে দেয়।

ভুক্তভোগী বজলার রহমান বলেন, আমি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। আর আমার ভাই ও জ্ঞাতি গোষ্ঠীরা বিএনপির সমর্থক। আমার কর্মকান্ডে হিংসে করে তারা জমি দখলের পায়তারা করে ও মেরে ফেলতে চায়। এর আগেও আমার ভাতিজা সোহরাব হোসেনের বাড়িতে হামলা করে বাড়িঘর ভাঙচুর করে।

অপরদিকে আশরাফ আলী সব অভিযোগ অকপটে স্বীকার করে বলেন, আমার ভাই আমাদের জমি আত্বসাৎ করেছেন। তিনি আমাকে ভাগ না দিয়ে নিজেই জবরদখল করছেন। আমি আমার ভাগ না নেওয়া পর্যন্ত কোন বিচার শালিশ মানি না।

ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয় গুলো মিমাংসার জন্য এর আগেও দু’পক্ষকে নিয়ে বসা হয়েছিল। প্রয়োজনে আবারও বসা হবে।

খানসামা থানার সাব-ইন্সপেক্টর মোতাহার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এরপর পথরুদ্ধ বেড়া সরিয়ে ফেলা হয়। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।