মোহাম্মাদ মানিক হোসেন :

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে শ্বশুর সফিকুল ইসলাম ওরফে ছপু (৪৮) দ্বারা গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে চিরিরবন্দর উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের রাণীরবন্দর বালাপাড়া গ্রামের হঠাৎ পাড়ায়।

ওই নারী অভিযোগ করে সংবাদিকদের বলেন, আমার শ্বশুর ছপু বাড়িতে প্রায় নেশা করে আসতো। বাড়ি ফাঁকা পেলেই আমাকে কু-প্রস্তাব ও অনেক খারাপ কথা বলতো । আমার স্বামী মো. সবুজ মালেক(২১) ও আমার শ্বাশুড়ী মোছা: ফরিজন নেছা ঘটনার দিন গত ১০ জুলাই বুধবার বিকেলে বাড়িতে ছিলো । ওই সময় আমার শ্বশুর বাড়িতে আসে। পরে শ্বাশুড়ী পাশের বাড়িতে কাজে চলে যায় এবং আমার স্বামীকে আমার শ্বশুর সু-কৌশলে পান ও সিগারেট আনার জন্য বাড়ির বাইরে পাঠিয়ে দেয়। এই সুযোগে আমার শ্বশুর “বাড়ির বারান্দা থেকে হঠাৎ ঝাপটে ধরে মুখ চেপে ঘরের ভেতরে আমাকে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে জোড়পূর্বক ধর্ষন করে ।

পরে বিষয়টি ঘটনার দুইদিন পর এলাকায় জানাজানি হলে , এলাকাবাসী চিরিরবন্দর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. লায়লা বানুকে জানালে তিনি সেখানে উপস্থিত হয়ে পুলিশকে খবর দেয় । পরে পুলিশ এসে” ওই নারী” পুলিশ ,সাংবাদিক ও এলাকাবাসীর সামনে  ধষর্ণ হওয়ার জবানবন্দি দেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, সফিকুল ইসলাম ওরফে ছপু বাড়িতে নেশা করে বিভিন্ন সময়ে রাতের বেলা মেয়ে মহিলা নিয়ে আসত।  জানাযায়, ছপু দীর্ঘদিন যাবত নশরতপুর ইউনিয়নের রাণীরবন্দর বালাপাড়া গ্রামের হঠাৎ পাড়ায় তার শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করে আসতেছে । সে খানসামা উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের চৌরঙ্গি গ্রামের মৃত রহমুতুল্লার ছেলে। ঘটনার পর সফিকুল ইসলাম ওরফে ছপু পলাতক রয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. লায়লা বানু জানান, ছপুর বিরুদ্ধে বাড়িতে অন্য অনেক অপকর্ম করার সত্যতা পাওয়া গেছে । তাকে খুজে বের করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

এ বিষয়ে চিরিরববন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হারেসুল ইসলাম জানান,পলিশ ওই মেয়ের বাড়িতে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত করেছে। বাদী হয়ে কেউ অভিযোগ করলে সফিকুল ইসলাম ওরফে ছপুর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।