মানিক হোসেন নিজস্ব প্রতিবেদক:

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে নশরতপুর ইউনিয়নের দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কের রাণীরবন্দর বাজার থেকে খানসামা রোড হয়ে উত্তর দিকে রাণীরবন্দর হাট এর ৫০ গজ পূর্ব-উত্তর কোণে নশরতপুর ঈদগাঁহ মাঠ সংলগ্ন ইছামতি নদীতে নির্মিত ৭০ ফিট পুরোনো  এ বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে গেছে।

প্রবাহমান ইছামতি নদীর উপর  সাঁকোটি ভেঙে পড়ায় চিরিরবন্দর ও খানসামা উপজেলাসহ কমপক্ষে ১০ গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। অনেকদিনের পুরোনো এ সাঁকো সম্প্রতি কাল বৈশাখী ঝড়ে লন্ড ভন্ড হয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে ১০ গ্রামের মানুষের যাতায়তে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম এলে এই ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ সাঁকো দিয়েই  নশরতপুর, চকগোবিন্দ, আলোকডিহি,ফতেজংপুর, উত্তর পলাশবাড়ী, খানসামা উপজেলার দুবলিয়া, গোয়ালডিহি, লালদিঘী, নীলফামারীর বড়ুয়াসহ ১০টি গ্রামের প্রায় ৫০হাজার লোকের যাতায়াতের একমাত্র পথ এ বাঁশের সাঁকো।

এদিকে বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় চিরিরবন্দর খানসামাসহ প্রায় ১০ গ্রামের মানুষের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। নদীর এপার এবং ওপারে শত শত পথচারী আটকা পড়েন।

অন্যদিকে সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় অতিরিক্ত প্রায় চারগুন টাকা ভাড়া দিয়ে অটোরিকশা ও ভ্যান দিয়ে ঘাটেরপাড় বাজার দিয়ে কলেজমোড় বাজার হয়ে  গন্তব্যে যেতে বাধ্য হচ্ছেন এলাকাবাসী। তারা দীর্ঘদিন যাবত ইছামতি নদীতে ব্রিজ নির্মাণের দাবি করে আসলেও অজ্ঞাত কারণে বিজটি বাস্তবায়নের কোন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না।

স্কুল শিক্ষক রশিদুল ইসলাম জানান বিষয়টি দুঃখ জনক, ঝড়ে এভাবে সাঁকো লন্ড ভন্ড হয়ে যায় তা আগে কখনও দেখিনি।

অর্থের ব্যবস্থা করে সাঁকোটি পূনরায় নির্মান করা উচিত । কৃষি পন্যা উৎপাদনের ভান্ডার হিসেবে গ্রাম গুলোর মানুষের উৎপাদিত পন্য বাজারযাত করণসহ ছাত্র-ছাত্রী ও পথচারীদের যোগাযোগ চরম আকার ধারন করেছে। বাঁশের সাঁকোটি জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার করা প্রয়োজন।