মোহাম্মদ মানিক হোসেনঃ

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে টানা বর্ষণে উপজেলার নিম্নাঞ্চল এলাকায় বন্যার পানি উঠার সম্ভবনা রয়েছে। তাই আতংকে রয়েছে ওই সব এলাকার মানুষ।

কয়েকদিনের টানা বর্ষণের ফলে দুর্ভোগে পড়েছে শ্রমজীবি মানুষ। দাম বেড়ে যাচ্ছে সবজি সহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমুল্যের।

রবিবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিপাত রবিবার ( ১৪ জুলাই ) পর্যন্ত মুষুলধারে বর্ষণের ফলে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে।

অব্যাহত বৃষ্টিপাতের ফলে ইতিমধ্যে চিরিরবন্দর উপজেলার রেলব্রীজ গুচ্ছগ্রাম এর ১৬টি পরিবারের বসতবাড়ি কাকড়া নদীর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় আজ ১৪ জুলাই সন্ধায় আশ্রয় নিয়েছে চিরিরবন্দর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে।

খবর পেয়ে বন্যা দূর্গতের কাছে ছুটে যান চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ গোলাম রব্বানী। তিনি বন্যা দূর্গতের ১৬টি পরিবারের মাঝে প্রত্যকে পরিবারকে ৫ কেজি চিড়া, ৩ কেজি গুড় ও ৩ কেজি করে মুড়ি সরবরাহ করেন এবং ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

এদিকে আত্রাই, ইছামতি, বেলান, কাকড়া নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে খাল-বিল তলিয়ে জনবসতি পূর্ন এলাকায় প্রবেশ করার আশংকা করা হচ্ছে। আতংকে দিন কাটাছে এই সব এলাকার মানুষ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: গোলাম রব্বানী জানান, আমরা বৃষ্টিপাতের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করছি। উপজেলার প্রত্যেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের এলাকার কোন ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আমাকে অবহিত করার জন্য বলা হয়েছে। এদের মধ্যে ভিয়েল, আউলিয়াপুকুর, গুচ্ছগ্রাম এবং আব্দুলপুর ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকা ক্ষতির সম্ভবনা রয়েছে। তিনি অারো বলেন, বন্যা পরিস্থিতির সর্বশেষ জানার জন্য একটি কন্ট্রলরুম চালু করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা দূগর্তদের জন্য সব ধরনের সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়েছে।