'মানিক হোসেন নিজস্ব প্রতিবেদক:

সম্প্রতি হাইকোর্ট থেকে ৫২টি পণ্য বিক্রয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা সত্বেও  চিরিরবন্দর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে এসব নিষিদ্ধ ভোগ্যপণ্য। সাধারণ মানুষের অসচেতনতা ও প্রশাসনের তেমন কোন তৎপরতা না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা অবাধে বিক্রি করছেন এসব পণ্য।

বিএসটিআই’র পরীক্ষায় নিম্নমান ও ভেজাল প্রমাণিত হওয়ায় ৫২টি পণ্যকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। গত ১৩ মে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করে ১০ দিনের মধ্যে বাজার থেকে এসব পণ্য প্রত্যাহার করে নিতে বলা হয়। কিন্তু এর পরও চিরিরবন্দরের হাট-বাজার গুলোতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে এসব নিষিদ্ধ ভোগ্যপণ্য। সাধারণ মানুষের অসচেতনতায় অসাধু ব্যবসায়ীরা অবাধে বিক্রি করছেন এসব পণ্য।

এ বিষয়ে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উচ্চ আদালত ৫২টি পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন বলে তারা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানতে পেরেছেন। সেগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহারের কথাও তারা জেনেছেন। তবে কোন কোন কোম্পানি এবং পণ্য এ সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা নেই। তাই পণ্যগুলোর বিষয়ে এখনো তারা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছেন না।

চিরিরবন্দর উপজেলা রাণীরবন্দর মার্কেটের  নুরজ্জামান নামের এক ভোগ্যপণ্য ব্যবসায়ী বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে রমজানের পূর্বে দোকানে মাল তুলার পর উচ্চআদালত ৫২টি পণ্য নিষিদ্ধ করেছেন। কিন্তু কোম্পানিগুলো তাদের বাজারজাতকৃত অনেক পণ্য এখনও ফেরত না নেওয়ায় আমরা বিপাকে পড়েছি। তাই লোকসানের হাত থেকে বাঁচতে ওই পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।’

এ ব্যাপারে চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম রব্বানী বলেন, ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। তাছাড়া আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষণা করা ৫২টি পণ্য ক্রয়-বিক্রয় না করার জন্য আমরা ব্যাপক প্রচারণাও চালিয়েছি। শিগগিরই আরো অভিযান পরিচালনা করা হবে।