মোঃ নুরনবী ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক

দিনাজপুরের খানসামায় সোনালী ব্যাংকের আনসার সদস্য ও একই পরিবারের ৭জন সহ করোনা জয় করে আইসোলেশন থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন আরো ১৩ করোনা রোগী। এর আগে ৪০ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি গেছেন। এ নিয়ে উপজেলায় মোট করোনা আক্রান্ত ৫৮ জন রোগীর মধ্যে এযাবত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ৫৩ জন ও মারা গেছেন ১ জন। এছাড়াও বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছে ৪ জন করোনা রোগী।

করোনা থেকে সুস্থ হওয়া রোগীরা হলেন, পাকেরহাট সোনালী ব্যাংকের আনসার সদস্য হাসান (৩২) ও ওয়ালিউল্লাহ(৪৫), কাচিনীয়া গ্রামের একই পরিবারের নজরুল ইসলাম (৬২), সোহেল (৩০), শামসুন্নাহার (৪৫), শাকিল (৩০), শামসুন নাহার (৪০), সুমনা (১৮), সাব্বির (২০), রায়হান (৩মাস), রশিদুল (২৮), ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের নাসিমা (১৮), দুবলিয়া গ্রামের বিনয় (৪৫)। তারা সকলেই হোম আইসোলেশনে ছিলেন।

আজ ২৮ জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উপহার ও সুস্থ হয়ে বাড়ি যাওয়ার ছাড়পত্র প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা আবু রেজা মোঃ মাহমুদুল হক, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ নারায়ন চন্দ্র রায় জয়, মেডিকেল অফিসার ডা. শামসুদ্দোহা মুকুল, করোনা রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত মেডিকেল টিমের টিমলিডার ডাঃ ফারুক আহমেদ রিজওয়ান, পিআইও মাজহারুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সফিউল আযম চৌধুরী লায়ন প্রমুখ।

করোনা থেকে মুক্তি পাওয়া রোগীরা বলেন, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই চিকিৎসকের বিধিবিধান মেনে চলেছি। প্রতিনিয়তই ইউএনও স্যার, স্বাস্থ্য বিভাগ ও ইউপি চেয়ারম্যান খোঁজ-খবর নিয়েছেন। আমাদের সুস্থতার জন্য আল্লাহর অশেষ রহমত ও ইউএনও স্যারের সাহস ও উৎসাহ কাজে লাগিয়েছে। ইউএনও, ওসি ও চিকিৎসকরা আইসোলেশনে এসে সর্বদাই সাহস দিয়েছেন। তারা সকলকে করোনায় আতংকিত না হয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলাম বলেন, করোনা রোগীদের উৎসাহ ও সাহস যোগাতে ফলমূল ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উপহার নিয়ে পুলিশ, চিকিৎসক, ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, গ্রামপুলিশ, আনসারদের সাথে করে তাদের বাড়িতে যেয়ে খোঁজ-খবর নিয়েছি। যেন তাদের মনোবল ভাল থাকে। এছাড়াও প্রতিনিয়ত মুঠোফোনে খোঁজ-খবর নিয়েছি। এ ধরনের কার্যক্রম আগামীতে অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব।