সুলতান মাহমুদ দিনাজপুর :

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে চেয়ারম্যানের মারধরের শিকার হয়ে ইউপি সদস্য আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। মারধরের শিকার ঐ ইউপি সদস্যের নাম শহিদুল ইসলাম। সে ১০নং চেংঠী হাজরাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।

আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার ডাডুয়া হাট বাজারে ইউপি সদস্যকে শারীরিক ভাবে লাহ্চিত করার প্রতিবাদে ৪ নং ওয়ার্ডের শতাধিক স্থানয়িরা বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন ।

গত শনিবার সকালে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার ১০নং চেংঠী হাজরাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইউপি সদস্যদের সাথে আলোচনা চলছিল। আলোচনার এক পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অনিল চন্দ্র রায় ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামকে রেজুলেশন খাতায় স্বাক্ষর করতে বলেন। কিন্তু শহিদুল ইসলাম রেজুলেশন খাতায় স্বাক্ষর না করার কারণে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। এক পর্যায়ে দুই জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় পরে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে তার ছেলে ও বিভিন্ন লোক জন নিয়ে ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামকে মারধর করতে থাকে। তাকে পরিষদ থেকে বের করে দেওয়া হয়।

স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম বলেন চেয়ারম্যান অনিল চন্দ্র রায় টিআর, কাবিখা, বিধবা ও প্রতিবন্ধি ভাতাসহ বিভিন্ন কার্ডের জন্য সবার কাজ থেকে টাকা আদায় করেন। এবং ৪নং ওয়ার্ডের ডাডুয়া বাজারে হাট সীট নির্মান প্রকল্পে-১ এলজিএসপি-৩ অর্থায়নে ৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। সেটার প্রকল্প চেয়ারম্যান হলেন ইউপি সদস্যা বিষয়া রানী। সেখানে আমাকে প্রকল্পের সম্পাদক পদে রাখা হয়। কিন্তু আমাকে কার্যক্রমের বাইরে রাখা হয়। প্রকল্পের হিসাব নিকাশে আমাকে রাখা হয়নি। ঐ প্রকল্পের রেজুলেশনে আমাকে সই করতে বললে আমি সই না করায় আমার উপর চেয়ারম্যান ও তার লোকজন আমাকে মারধর করে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামকে মারধরের প্রতিবাদে চেংঠী হাজরাডাঙ্গা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা ২৬ জুলাই সোমবার বিকালে চেংঠী হাজরাডাঙ্গা ইউনিয়নের ডাডুয়া বাজারে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে চেয়ারম্যান অনিল চন্দ্র রায়ের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন। মানববন্ধনের বক্তব্য দেন চেংঠী হাজরাডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুন্ম সাধারন সম্পাদক মমিনুর রহমান মমিন , শামীম ইসলাম, সমির আলী, মাহবুব হোসেন ও ইউপি সদস্যের বাবা তোয়াজ খাঁ প্রমুখ ।