মোহাম্মদ মানিক হোসেন:

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় সরকারিভাবে সীমিত সময় শপিংমল খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তে স্বাস্থ্যবিধি কেউ মানছেন না।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে করোনার ভয় তুচ্ছ করে প্রতিনিয়ত কাপড়, কসমেটিক ও সেলুনসহ বিভিন্ন দোকানে শুরু হয়েছে মানুষের উপচেপড়া ভিড়।

উপজেলা প্রশাসন বলছেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য জনগণকে সচেতন করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা হয়েছে। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলছে। এরপরও কেউ সরকারি নির্দেশ অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এর আগে দিনাজপুর জেলা  করোনাভাইরাস সংক্রমণে লকডাউন ঘোষণা করেন প্রশাসন। এরপর চিরিরন্দর উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ বাহিনীর তৎপরতায় সামাাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ দোকানপাট ও যানবাহন সীমিত আকারে চলাচল করে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকার লকডাউন শিথিল করলে গত এক সপ্তাহ যাবত চিরিরবন্দর সদর, আমবাড়ি,রাণীরবন্দরসহ বিভিন্ন এলাকার বাজারগুলোতে নারী, পুরুষ ও শিশুদের উপচেপড়া ভিড় শুরু হয়েছে। তারা মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। অধিকাংশ ক্রেতা ও বিক্রেতাগন মাস্ক ব্যবহার করছেন না। মাছ ও মাংস বাজারের চিত্রও অনুরূপ। সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখেই বসানো হচ্ছে হাটবাজার।

এদিকে করোনাভাইরাসে ক্রমেই মৃত্যু ও আক্রান্তে সংখ্য বৃদ্ধি পাওয়ার মূহুর্তে অত্র উপজেলায় স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে চলাচল করায় করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কার্যক্রম কাজে আসবে কিনা তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।