মোহাম্মদ মানিক হোসেন:

করোনাকালে মানুষ যখন ঘরবন্দি, দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে তখন আত্রাই নদীর বালু উত্তোলনের মহোৎসবের কারনে ভাঙছে পিচের রাস্তা। আর এর সঙ্গে জড়িত একাধিক জনপ্রতিনিধিসহ রাজনৈতিক নেতা ও স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

বালু উত্তোলনের ফলে পিচের আঞ্চলিক সড়ককে বাচাঁতে দফায় দফায় এলাকাবাসী বিক্ষোভ করলেও কোন ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না ১০ চাকার ট্রাক দিয়ে বালু উত্তোলন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চিরিরবন্দর উপজেলার সাইতাড়া ইউনিয়নের আইয়ুবসরির মোড় হতে  চড়কডাঙ্গা বাজারের ২ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিম দিকে কুশলপুর বালুমহাল দিনাজপুর সদরের রনজিৎ কুমার দাস নামে এক ব্যাক্তি ইজারা নিয়েছে। কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে ইউপি সদস্য, রাজনীতিক নেতাসহ এই বালু মহালের শেয়ার ৮ জন। তবে শেয়ারে কারা আছে তাদের কি নাম কোন তথ্যই পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী বলছেন, এই বালুর ঘাট যেমনি হোক,এই ঘাটের ঘাটাইল মালিক অনেক বড়।

এলাকাবাসী অভিযোগের পেক্ষিতে কিছুদিন আগে দশ চাকার ট্রাক দিয়ে পিচের রাস্তার উপর দিয়ে বালু বহন প্রশাসন বন্ধ করে দিলেও অজ্ঞাত কারনে সেই গাড়ি গুলো অবাধে আবারো চলাচল করছে। ফলে ওই এলাকার ২ কিলোমিটার পিচের রাস্তা ভেঙে মাটির সাথে লেপটে যাচ্ছে। আর এভাবে গ্রামের ভিতর দিয়ে ১০ চাকার গাড়ি চলাচলের কারনে ছোট পাকা কাঁচা রাস্তার ছোট বাজারে বাড়ছে যানযট । বেড়েছে সড়ক দূঘর্টনা। বাধা দিতে গিয়ে প্রতিনিয়ত তাদের হুমকির শিকার হচ্ছে নিরীহ গ্রামবাসী।

স্থানীরা অভিযোগ করে বলেন,উত্তোলনকৃত এসব বালু পরিবহনে প্রতিদিনই বালুভর্তি ট্রাক চলাচল করায় পাকা ও কাঁচা রাস্তা ভেঙে যাচ্ছে, ভাঙছে আবাদি জমি। শুধু বালু উত্তোলন ও পরিবহনের কারণেই এই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক হয়ে পড়তেছে। তবে তারা আরো জানায়, ছোট পরিবহন দিয়ে বালু বহন করলে রাস্তা গুলো রক্ষা পেত। জরুরি ভিত্তিতে প্রশাসন এ ব্যাপারে আইনি পদেক্ষেপ নেবেন- এমনটাই প্রত্যাশা এলাকার সাধারণ মানুষের।