নিজস্ব প্রতিবেদক/ বিজ্ঞপ্তি

গত ৬ মে ২০২০ তারিখে “ধুনটে কৃষি কর্মকর্তার পুকুরচুরি নয় রীতিমত সাগরচুরি!” শিরোনামে কয়েকটি জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। যা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। চলতি অর্থ বছরে পরিচালন বাজেটের আওতায় ১ম পর্যায়ে ধুনট উপজেলায় ৪ টি কম্বাইন হাভেস্টার ৫০% ভর্তুকী মূল্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ প্রদান করা হয়।

নির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে উপজেলা কৃষি পূনর্বাসন ও বাস্তবায়ন কমিটির সভা গত ১৬/০৪/২০২০ খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত হয় এবং কমিটি ইতোপূর্বে আবেদনকৃত ১৯ জন কৃষকের মাঝ থেকে যাচাই করে ৪ জন কৃষকের নাম চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে। ধুনট উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর সাথে আলোচনা স্বপক্ষে গত ২১/০৪/২০২০খ্রিঃ তারিখে উপজেলা চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে ০৩ টি কম্বাইন হারভেস্টার বিতরণ করা হয়। অত্র কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে আমি শুধুমাত্র উপজেলা কৃষি পূনর্বাসন ও বাস্তবায়ন কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করি।

অত্র কমিটির সিদ্ধান্তের উপর বা বাহিরে আমি কোনরূপ প্রভাব বিস্তার করি নাই অথবা দুর্নীতি করি নাই এবং করার কোন সুযোগ নেই। কম্বাইন হারভেস্টারের বিপরীতে ৫০% ভর্তুকীর টাকার বিল ভাউচার করার কোন এখতিয়ার আমার নাই। ভর্তুকির ৫০% টাকা কৃষক সরাসরি কোম্পানীকে প্রদান করে এবং বাকী ৫০% টাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক চালানে প্রতিস্বাক্ষরের পর সরাসরি যন্ত্র সরবরাহকারী কোম্পানীর একাউন্টে চেকের মাধ্যমে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ পরিশোধ করা হয়।

আমার একক ভাবে বিল ভাউচার তৈরিকরণ, অর্থ প্রদান অথবা কৃষক অনুমোদনের কোনরূপ এখতিয়ার নাই। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের যে বক্তব্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয়। তার কাছে বিতরন প্রক্রিয়া নিয়ে কেউ অভিযোগ করলে এবং যুক্তিসঙ্গত মনে হলে তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে বরাদ্দ বাতিলের জন্য লিখতে পারেন। যেহেতু কোন প্রকার অর্থ এখন পর্যন্ত ছাড়-ই হয়নি। আমি প্রকাশিত ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মুহাঃ মশিদুল হক
উপজেলা কৃষি অফিসার
ধুনট, বগুড়া।