ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনের ভোটের তারিখ নির্ধারণে আজ রবিবার বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এদিন কমিশনের ৫৭তম সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভার অলোচ্যসূচির প্রথমেই রাখা হয়েছে দুই সিটি নির্বাচনের তফসিলের বিষয়টি।

ইসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা ভোটের প্রস্তাবনা তৈরি করে ইতিমধ্যে কমিশনের কাছে দিয়েছেন। সেখানে ভোটের তারিখ ফাঁকা রাখা হয়েছে। রবিবারের আলোচনায় সিদ্ধান্ত এলে ফাঁকা জায়গায়গুলো ভোটের দিয়ে পূরণ করা হবে। এরপর তফসিল ঘোষণা হবে। এক্ষেত্রে সভা শেষেই তফসিল ঘোষণা হতে পারে।

সূত্র জানায়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার জন্য গত ১২ ডিসেম্বর সভার নোটিশ জারি করা হয়েছে। সভার আলোচ্য সূচিতে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনসহ বেশকিছু বিষয় রয়েছে।

ইতিমধ্যে ঢাকার দুই সিটির ভোটের ক্ষণ গণনা শুরু হয়েছে। গত ১৪ নভেম্বর নির্বাচন উপযোগী হয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। ১৮ নভেম্বর নির্বাচন ক্ষণ গণনা শুরু হয় ঢাকা দক্ষিণের।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নির্বাচন হয়। নির্বাচনের পর ঢাকা উত্তর সিটির প্রথম সভা হয় ওই বছরের ১৪ মে, দক্ষিণ সিটিতে ১৭ মে। এ হিসাবে ঢাকা উত্তরের মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ১৩ মে, আর দক্ষিণের একই বছরের ১৬ মে। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন ২০০৯ অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে ভোটগ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ঢাকা উত্তরে ভোটার সংখ্যা ৩০ লাখ ৩৫ হাজার ৬২১। সাধারণ ওয়ার্ড ৫৪টি এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১৮টি। সম্ভাব্য ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা এক হাজার ৩৪৯ এবং ভোটকক্ষ সাত হাজার ৫১৬টি। দক্ষিণে ভোটার রয়েছেন ২৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৮। সাধারণ ওয়ার্ড ৭৫টি এবং সংরক্ষিত ২৫। সম্ভাব্য ভোট কেন্দ্র এক হাজার ১২৪ এবং ভোটকক্ষ পাঁচ হাজার ৯৯৮।

(ঢাকাটাইমস