আকরাম হোসেন খান নাঈম: ‘ক্যাম্পাস টু ক্যাম্পাস‘ সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীদের একটা ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আওতায় (প্রাথমিক ভাবে যেগুলোতে সাংবাদিকতা বিভাগ রয়েছে) দেশের সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয় পরির্দশন করাটাই প্রধান লক্ষ্য। আশা করি এই উদ্দেশ্য যোগাযোগে নতুন মাত্রা তৈরি করবে। বলছিলেন এই মিশনের অন্যতম উদ্যোক্তা স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ছাইফুল ইসলাম মাছুম।

তিনি আরো বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু করি। আজকের দ্বিতীয় যাত্রায় আমাদের গন্তব্য ছিলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। আজকের (১১ নভেম্বর) মিশনে আমরা ছিলাম ৯জন সদস্য, আমরা প্রথমে সকাল ১০ টায় উপস্থিত হয় কবি-সাহিত্যিকদের কাছে পুরনো ঢাকার এক আড্ডার কেন্দ্রস্থল বিউটি বোর্ডিং। সেখান থেকে আমরা সকালের নাস্তা করি।

তারপর আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা শিক্ষার্থীদের সাথে ‍কুশল ও মতামত বিনিময় করি। তারপর আমরা দেখা করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শাহ নিসতার জাহান কবির স্যারের সাথে এবং ফটোসেশন করি।
পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী বন্ধুদের আমন্ত্রনে জগন্নাথ ক্যাফেতে টিফিন করি।
পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত বন্ধুদের কে সাথে নিয়ে প্রায় ২০ মিনিটের একটা ফেসবুক লাইভ করি। এর মধ্যদিয়ে বিদায় নিই জগন্নাথ ক্যাম্পাস থেকে।

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী নদী বুড়িগঙ্গার ওয়েজগাট এ সেখানে অনুভব করি, এবং কথা বলি ভাসমান মানুষের জীবন যাত্রা নিয়ে।

পরে আমরা প্রবেশ করি ‘আহসান মঞ্জিল’ পুরনো ঢাকার ইসলামপুরের কুমারটুলী এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের আবাসিক প্রাসাদ ও জমিদারীর সদর কাচারি। বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেখানে আমরা ঘুড়ে দেখেছি জাদুঘর এবং ফটোসেশন করেছি।

পরে বুড়িগঙ্গার কালো জলে নৌকা দিয়ে ঘুড়েছি সেটা ছিল অনেক সুন্দর একটা মুহূর্ত।

তিনি আরো বলেন, এই মিশনকে আমি নিচক ক্যাম্পাস ভ্রমন হিসেবে দেখছি না। বরং এই মিশন আমাদের সমাবেত পথ চলাকে আরো সুদৃঢ করবে। যারা অংশ নিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে নিবেন তাদের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা জানাই।

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হাসান ওয়ালি বলেন, ‘ক্যাম্পাস টু ক্যাম্পাস’ আমাদের স্বপ্নের নাম। ধীরে ধীরে পূরণ হচ্ছে স্বপ্নগুলো। ‘ক্যাম্পাস টু ক্যাম্পাস’-এর প্রথম যাত্রা ছিলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। দ্বিতীয় যাত্রায় আমাদের গন্তব্য ছিলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি থাকলেও কখনো যাওয়া হয়নি আমার। আজকের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দর্শনে মুগ্ধ হয়েছি। মুগ্ধ হয়েছি জগন্নাথের সাংবাদিকতার শিক্ষার্থী বন্ধুদের আন্তরিকতায়। আশা করি আমাদের এই যাত্রা অব্যাহত থাকবে।