নিহত দুইজন হলেন, আব্দুল্লাহেল কাফি (৩১) ও আলমগীর হোসেন গুতু (২৭)। জেলার সদর ও মুক্তাগাছা উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। ডিবি পুলিশের দাবি, নিহতদের একজন শীর্ষ অস্ত্রধারী আরেকজন মাদক কারবারি। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ ৮টিরও বেশি মামলা আছে। শুক্রবার গভীর রাতে বন্দুকযুদ্ধে তারা মারা যান।

নিহত কাফি ফুলবাড়ীয়া উপজেলার আমদালিয়া গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান ছেলে ও আলমগীর ময়মনসিংহ শহরের কালিবাড়ী রোডের পুরাতন গুদারাঘাট এলাকার ইব্রাহিমের ছেলে।

ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. কামাল আকন্দ জানান, বিশেষ অভিযানে মুক্তাগাছার  কাঁঠালিয়া ঝলই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় কিছু অস্ত্রধারী ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল এলোপাথারি গুলিবর্ষণ করতে থাকে।  এসময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা  গুলি চালায়। এক পর্যায়ে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা গুলি করতে করতে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থল থেকে আব্দুল্লাহেল কাফিকে একটি কাঠের বাটযুক্ত এলজি ও ২রাউন্ড কার্তুজসহ আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। তার বিরুদ্ধে একাধিক সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা রয়েছে।

অপরদিকে শহরতলীর সাহেব কাচারী বাজার বিসমিল্লাহ হ্যাচারি সংলগ্ন এলাকায় ডিবি পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় কয়েকজন মাদক কারবারি পুলিশের অবস্থান টের পেয়ে অতর্কিত গুলি বর্ষণ এবং ঢিল ছুড়তে থাকে।

পুলিশও আত্মরক্ষার্থে গুলি বর্ষণ করে। একপর্যায়ে মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি করতে করতে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে মাদক বিক্রেতা আলমগীরকে আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় তার কাছ থেকে ২ কেজি গাঁজা ও ২টি গুলির খোসা পাওয়া যায়। পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করে।

এ ঘটনায় মুক্তাগাছা ও কোতোয়ালি মডেল থানায় পৃথক মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে ডিবির ওসি জানিয়েছে।

আহত ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) নাজিম উদ্দিন, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. মজিদ, পুলিশ কনস্টেবল ইব্রাহীম, সাইদুল ইসলাম ও আরমান উদ্দিনকে পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

ঢাকাটাইমস