বাংলাদেশের মিডিয়াগুলো হিরো আলম নিয়ে পড়েছে। পাগলের মতো তার সাক্ষাৎকার নিচ্ছে সবাই। বাজারের জনপ্রিয় গানের সঙ্গে লিপ মিলিয়ে ভাড়া করা ‘অভিনেত্রী’র সঙ্গে তার যে নাচানাচির ভিডিও ইউটিউবে আছে, সেগুলো নিতান্তই কুরুচিপূর্ণ, হাস্যকর এবং বিরক্তিকর জিনিস। সেগুলোর দর্শক বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ। মানুষের ‘ভালোবাসা’ পেয়ে হিরো আলম এখন ভোটে দাঁড়াচ্ছেন। একসময় মন্ত্রী হবেন। হয়তো প্রধানমন্ত্রীও হবেন। আসলে হিরো আলম বাংলাদেশের মন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য উপযুক্ত লোক। দেশটাও হিরো আলমের উপযুক্ত হয়ে উঠেছে এতদিনে।

গরিব থেকে ধনী হলে, বা স্ট্রাগল করে বড় হলে বা সোজা সরল হলেই কি ভোটে দাঁড়ানোর যোগ্য হয় কেউ? লোকে বলে হয়। দুর্নীতিগ্রস্ত আর কুটিল জটিল রাজনীতিক দেখতে দেখতে মানুষ এখন সাদাসিধে কাউকে দেখলেই তাকে দেশ শাসনের ভার দিতে চায়। সাদাসিধে আর সৎ হলেই যে ভালো রাজনীতিক হওয়া সম্ভব তা তো নয়।

রাজনীতির জগতটাকে একটা সার্কাস বানিয়ে ফেলেছে দেশটা। বাংলাদেশের সংসদে তো কম ক্লাউন নেই। হিরো আলম নামে নতুন এক ক্লাউনের নিশ্চয়ই ওখানে জায়গা হবে।

(লেখকের ফেসবুক স্ট্যটাস)