ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমেদ বলেছেন, আমি তারেক রহমানকে দেখি একজন শিক্ষকের দৃষ্টি দিয়ে। ভাল ছেলে। বিনয়ী, সদাশয়, মৃদুভাষী।

তারেক রহমানের সাথে দীর্ঘদিনের পরিচয় উল্লেখ করে এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বলেন, সুশীল তরুণ হিসাবে তার বক্তব্য ঋজু। চিন্তা-ভাবনা সুস্পষ্ট। কৃত্রিমতা এখনো তাকে স্পর্শ করেনি। স্পর্শ করেনি দুর্বুদ্ধিপ্রসূত কোন জটিলতা। সম্ভবত এ কারণে তারেকের বন্ধু যতজন, শত্রু ও প্রায় ততজন।

তারেক রহমানের মধ্যে অমিত সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে বলেন, তাকে সতর্কতার সাথে পথ চলতে হবে। লর্ড এ্যাক্টনের লেখা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতার একটি বিষক্রিয়া রয়েছে এবং নিরঙ্কুশ ক্ষমতার বিষক্রিয়া সর্বব্যাপক।’ কিন্তু যে যোগ্য ব্যক্তি ক্ষমতা অথবা অর্থবিত্তের উপেক্ষা করে চলেন, ক্ষমতা অথবা অর্থবিত্ত তার পেছনেই ছোটে। তারেক রহমানকে একথা বলছি এ জন্যে যে, তার পিতা রাষ্ট্রক্ষমতা সম্পর্কে নিরাসক্ত ছিলেন বলেই তারই অজ্ঞাতে এবং অনিচ্ছায়, ১৯৭৫ সালের ৭ নবেম্বরে ক্ষমতার শূন্যতা পূরণে তাঁকেই দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের। বেগম খালেদা জিয়া প্রচুর অনুনয়-বিনয়ের পরেই রাজি হন বিএনপির হাল ধরতে, কিন্তু তিনিই তো সবচেয়ে দীর্ঘকাল প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বাংলাদেশের সেবা করেছেন।

এমাজউদ্দীন তারেক রহমানকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, সর্বদা বিবেককে জাগ্রত রাখতে হবে। বুদ্ধির পরিবর্তে প্রজ্ঞার নির্দেশ মেনে চলতে হবে। মস্তিষ্কের চেয়ে অন্তকরণের নির্দেশনাই এদেশে অধিক কার্যকর হয়েছে, সবসময়। তারও পথনির্দেশনা দিক তার বিবেক, তার অন্তঃকরণ।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ এই লেখাটি লিখেন।

সূত্র : বিএনপির ফেসবুক পেইজ থেকে নেয়া