কক্সবাজার প্রতিনিধি

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সাবাজার-১ আসনে নৌকার বিজয়ে তারুন্যের প্রতিক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তায় এগিয়ে জেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ড.আশরাফুল ইসলাম সজিব। তিনি চকরিয়া-পেকুয়া নৌকার বিজয়ে নির্বাচনী প্রচার- প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ড. সজিব সৎ, বিনয়ী, পরীক্ষিত ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে এমন প্রার্থীদের তুলনা মূলকভাবে জনপ্রিয়তা এগিয়ে রয়েছেন তিনি। এসব মানবিক-রাজনৈতিক গুণাবলী সম্পন্ন প্রার্থীদের ঘিরে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

কক্সবাজার জেলার শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ড. আশরাফুল ইসলাম সজিব জনপ্রিয়তার দিক থেকে এখন সাধারণ মানুষের মাঝে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছেন। দিন দিন এই জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বিগত অনেক বছর থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করে তা এখনও অব্যাহত রেখেছেন। ফলে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সাথে তার শক্তিশালী সেতুবন্ধন গড়ে উঠেছে। তা ছাড়া তরুণ উচ্চ শিক্ষিত আওয়ামী লীগের কক্সবাজার জেলার শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা এ নেতা এলাকায় সদালাপি, কর্মীবান্ধব ও ক্লিন ইমেজের মানুষ হিসেবে পরিচিত, যা তার জনপ্রিয়তাকে সময়ের সাথে সাথে বৃদ্ধি করে চলেছে।

কক্সবাজার -১ আসনের অন্তর্ভুক্ত পেকুয়া সদর, চকরিয়া পৌরসভা, পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলার প্রত্যেকটি গ্রাম-গঞ্জে, হাট-বাজারে নিয়মিত গণসংযোগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছেন ড.আশরাফুল ইসলাম সজিব। দলীয় ত্যাগী নেতা-কর্মীদের একত্রিত করা, সাধারণ ভোটারদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি, দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাপকভাবে প্রচার করা এবং দলের পক্ষে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্রিক নানা কর্মসূচি পালন করতে দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের এই নেতাকে।

চকরিয়া-পেকুয়ার আওয়ামীলীগের নেতাকর্র্মীরা জানান, আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগকে আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনতে তরুণ নতুন ভোটারদের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছেন ড. সজিব। এলাকার প্রচার ও প্রচারণা ছাড়াও ঢাকা-চট্টগ্রাম শহরে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক কক্সবাজারবাসীর মধ্যেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন তিনি। চকরিয়া-পেকুয়ার যেখানেই গণসংযোগ করছেন সেখানে বিপুল মানুষের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে তিনি শিলখালী, বারবাকিয়া, পেকুয়া, মগনামা এবং চকরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ করেছেন।

বঙ্গববন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, কক্সবাজার মহকুমা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্ষীয়ান আওয়ামীলীগ নেতা সাংবাদিক নুরুল ইসলামের সস্তান এই তরুণ আওয়ামীলীগ নেতা লন্ডন থেকে উচ্চ শিক্ষা শেষ করে স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হন ২০০৮ সাল থেকে। আওয়ামীলীগের দুর্দিনে লন্ডন আওয়ামীগকে সুসংগঠিত করেছেন তিনি। দেশে ফিরে প্রথমে সুচিন্তা বাংলাদেশ, চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়কের দায়িত্ব পান।

রাজনৈতিক কর্মকান্ড ও দলের আদর্শের প্রতি তার আত্মনিবেদনের পুরস্কার হিসেবে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করে তাকে। সে জেলা কমিটির শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব অর্পিত করেন। এই রাজনৈতিকের মাধ্যমে কক্সবাজার -১ আসনে অসংখ্য নেতাকর্মী তথা ছাত্রলীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী তার হাত ধরে আওয়ামীলীগের রাজনৈতির সাথে সম্পর্কিত হন। ফলে মাঠপর্যায়ে গড়ে উঠেছে তার বিশাল কর্মীবাহিনী। যাদের ভালোবাসায় ড.আশরাফুল ইসলাম সজিব জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে সবার কাছে গ্রহনযোগ্যতা অর্জন করেছেন। রাজনীতিতে তার যোগ্যতা ও মেধার কারণে তৃণমূল আওয়ামী লীগের তাঁর শক্ত অবস্থান তৈরি রয়েছে।

অন্যদিকে রাজনৈতিক জীবনে আওয়ামী লীগের নীতি, আদর্শ ও দলের প্রতি আনুগত্যের প্রশ্নে আপোষহীন ড.আশরাফুল ইসলাম সজিব ওয়ান-ইলেভেনের মাইনাস শেখ হাসিনা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য সোচ্চার ভূমিকা পালন করেন। দল ও বঙ্গবন্ধু-কন্যার প্রতি আপোষহীন আনুগত্যের কারণে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় নেতাদের মন জয় করতে সঙ্কম হয়েছেন।

এ কারণে কক্সবাজার -১ আসনের দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে ভালোবাসার সাথে গ্রহণ করছে এবং তাকে ঘিরে স্বপ্ন দেখছে আওয়ামীলীগের উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলো জনগনের দুর্গোরায়া তুলে ধরতে। ড. সজীবের গ্রামের বা দাদার বাড়ি পেকুয়ার মগনামা ইউনিয়নে যেখানে তার পিতা ৩ বারের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এবং তার চাচা এড জহিরুল ইসলাম চকরিয়া-পেকুয়ার সাবেক এমপি ও বঙ্গবন্ধুর আমলের গভর্নর ছিলেন। উনার নানার বাড়ি চকরিয়া উপজেলার লক্ষাচ্চর ইউনিয়নে এবং উনি প্রখ্যাত জমিদার মরহুম খোরশেদ আলম চৌধুরীর নাতি। এখানে উল্লেখ্য যে ড. সজীবের শশুর বাড়ি চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরি সাংগঠনিক থানায়, তার শশুর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম রব্বান ও বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। ৩ এলাকায় পারিবারিকভাবেই আওয়ামীলীগ পরিবার হওয়ায় সব জায়গায় তার অবস্থান শক্তিশালি এবং আওয়ামীলীগের বাইরেও সামাজিকভাবে তার গ্রহণযোগ্যতা অন্যদের চেয়ে বেশি বলে এলাকার রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

ড. মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম সজিব এলাকায় একটি বাড়ি একটি খামার নিয়ে প্রচার সমাবেশ, মৌলানা ফরিদ উদ্দিন মাসুদ সাহেবকে দিয়ে জঙ্গিবাদ বিরোধী আলেম উলামা জনতা সমাবেশ, নারীর ক্ষমতায়নে মহিলা সমাবেশ, নারীদের সেলাই মেশিন প্রদান কর্মসূচি, আওয়ামীলীগের অসহায় নেতৃবৃন্দের পাশে থাকা, ইয়াবা আগ্রাসন এর বিরুদ্ধে অবস্থান, উন্নয়ন বরাদ্দে দুর্নীতি প্রতিরোধে স্পষ্ট অবস্থান, সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় সার্বিক পাশে থাকা সহ তরুনদেরকে নিয়ে নানামূখী কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।

কক্সবাজার -১ আসন বিএনপি’র ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এ আসনটিতে বার বার সংসদ নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। ঐতিহ্যগতভাবে এ অঞ্চলটিতে বিএনপির জনপ্রিয়তা বেশি। গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ জোটের শরিক জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের সাংগঠনিক শক্তি অটুট রাখতে আওয়ামী লীগের পক্ষে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন। সেই হিসাবে জনপ্রিয়তা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও স্বচ্ছ ইমেজের কারণে ড.আশরাফুল ইসলাম সজিবকে দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সচেতনমহল মনে করে ড.আশরাফুল ইসলাম সজিব সৎ, পরীক্ষিত, ত্যাগী, কর্মীবান্ধব ও ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হওয়ায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেলে সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করবে আওয়ামী লীগ। বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের সুযোগ্য নেতা হিসেবে ড.আশরাফুল ইসলাম সজিবকে ঘিরে কক্সবাজার -১ আসনের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। পেকুয়া-চকরিয়াবাসী এবার তাকে নৌকা মার্কা প্রার্থী হিসেবে দেখতে চায় আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা।