দলে সুযোগ পেয়েই দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করলেন সৌম্য সরকার। ৯২ বলে ১১৭ রান করে ফিরে গেলেন সাজঘরে। হ্যামিলটন মাসাকাদজার বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ডোনাল্ড তিরিপানোর হাতে ক্যাচ হয়েছেন তিনি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সৌম্যর এটি দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। এই রান করার পথে তিনি নয়টি চার মারেন ও ছয়টি ছক্কা হাঁকান। সাড়ে তিন বছরেরও বেশি সময় পর সেঞ্চুরি দেখা পেলেন এই টাইগার ক্রিকেটার।

এর আগে ২০১৫ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন সৌম্য সরকার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই সিরিজে প্রথমে দলে ছিলেন না সৌম্য। কিন্তু প্রস্তুতি ম্যাচে সেঞ্চুরি করায় ও জাতীয় লিগে ভালো করায় সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে তাকে দলে ডাকেন নির্বাচকরা।

ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। কাইল জারভিসের বলে এলবিডব্লিউ হন লিটন দাস। এরপর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকার ২২০ রানের পার্টনারশিপ গড়েন তিনি। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে ওয়ানডেতে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ইমরুল-সৌম্যর এই জুটিই এখন সেরা। এর আগে ওয়ানডে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসানের ২০৭ রানের জুটি সেরা ছিল।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের দেয়া ২৮৭ রানের জয়ের টার্গেটে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩১ ওভারে ২ উইকেটে ২২৫ রান। এর আগে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ২৮ রানে ও দ্বিতীয় ম্যাচে সাত উইকেটে জয় পেয়ে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে রেখেছে বাংলাদেশ। সুতরাং টাইগাররা আজ জয় পেলে হোয়াইটওয়াশ হবে জিম্বাবুয়ে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে পাঁচ উইকেটে ২৮৬ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। সফরকারীদের পক্ষে সেঞ্চুরি করেন শন উইলিয়ামস। ১২৯ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।

অন্যদের মধ্যে ব্রেন্ডন টেইলর করেন ৭৫ রান। ওয়ানডেতে এটি তার ৩৬তম অর্ধশত। এছাড়া সিকান্দার রাজা ৪০ ও পিটার মুর ২৮ রান করেন। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে নাজমুল ইসলাম অপু ২টি, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ১টি ও আবু হায়দার রনি ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

সূত্র :ঢাকা টাইমস