প্রকাশিত : ২০ অক্টোবর ২০১৮,

পুলিশের নির্দেশ মেয়ের মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে নিতে হবে। গাড়ি ভাড়ার টাকা না থাকায় মেয়ের মৃতদেহ কাধে নিয়ে আট কিলোমিটার দূরের হাসপাতালে গেলেন বাবা। ভারতের ওড়িশার গজপতি জেলায় এ ঘটনা ঘটেছে।

গত ১১ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় তিতলির আঘাত হানার সময়ে নিঁখোজ হয় মুকুন্দ দোরার সাত বছরের মেয়ে ববিতা। পরে তার মৃতদেহ পাওয়া যায় পাশের একটি নালায়। রাজ্যের ত্রাণ দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, তিতলির সময় ধসে চাপা পড়ে ববিতার মৃত্যু হয়।

পরে পুলিশ এসে ববিতার মৃতদেহের ছবি তুলে নিয়ে যায় এবং তাকে ময়না তদন্তের জন্য ভবানীপাটনা হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে।

মুকুন্দ জানান, পুলিশ মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা না করে আমাকেই হাসপাতালে নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়। গাড়ি ভাড়া করার সামর্থ আমার নেই। ফলে মেয়ের দেহ বস্তায় পুরো কাঁধে চাপিয়েই হাসপাতালে নিয়ে যাই।

এরকম এক ঘটনায় রাজ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কোনও কোনও মহল থেকে সরকারের তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।

এরআগে ২০১৬ সালে ওড়িশার কালাহান্ডি জেলাতেও প্রায় এরকমই একটি ঘটনা ঘটেছিল। সেবার হাসপাতাল থেকে স্ত্রীর মৃতদেহ কাঁধে চড়িয়ে পায়ে হেঁটে ১০ কিলোমিটার দূরে ঘরে ফিরেছিলেন দানা মাঝি নামে এক ব্যক্তি।

সূত্র: ঢাকা টাইমস