নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, ‘কেবল একটি দলের দাবিতে তফসিল পেছানোর সুযোগ নেই। তবে সকল রাজনৈতিক দল একমত হলে সেক্ষেত্রে সংবিধানের মধ্যে থেকে তফসিল পেছানো যেতে পারে।’

আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ইলেক্টোরাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন সিইসি।

ইটিআই মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুকের সভাপতিত্বে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির এ অনুষ্ঠানে পরিচালক ফরহাদ হোসেনসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন পেছানোর বিষয়ে ঐক্যফন্টের দাবির বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ক্ষেত্রে ৭ নভেম্বরের সংলাপের ফলাফলও প্রভাব ফেলতে পারে।

রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতকে গুরুত্ব দেবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘একক দল নয়, বাংলাদেশের যত রাজনৈতিক দল আছে সবাই যদি বলে, তাহলে নির্বাচন পেছানো যেতে পারে। জানুয়ারির ২৮ তারিখের মধ্যে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা আছে। এর মধ্যে সব রাজনৈতিক দল যদি বলে নির্বাচন কয়েকদিন পিছিয়ে দেন, তখন পিছিয়ে দেওয়া যাবে।’

২৮ জানুয়ারি তো দূরে আছে এক্ষেত্রে আপনাদের হাতে অনেকটা সময় আছে, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সিইসি বলেন, ‘সময় থাকে না। কারণ, নির্বাচনের জন্য জানুয়ারি নানা কারণে ডিস্টার্ব মাস। জানুয়ারিতে বিশ্ব ইজতেমা হয়, আমি যতদূর জানি দুই দফায়। একারণে ১৫-২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। এখানে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে পুলিশ ও র‍্যাব নিয়োগ করা হয়। ১ তারিখের (জানুয়ারি) পর থেকে স্কুলগুলো খোলা থাকে। এছাড়া, এসময়ে অনেক শীত ও কুয়াশা থাকে। এজন্য চর ও হাওর অঞ্চলে ঝুঁকি থাকে। সেকারণে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হওয়া উচিত বলে আমরা মনে করি।’

নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিষয় নিয়ে সিইসি বলেন, ‘এবার স্বল্প পরিসরে ইভিএম ব্যবহার করা হবে।