নিজস্ব প্রতিবেদক :: দিনাজপুরের খানসামায় একটি মসজিদের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব হওয়ায় মসজিদ ভাঙচুর ও গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের হাসিমপুর গ্রামের পালোয়ান পাড়া জামে মসজিদে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মসজিদের জমি দাতা ইসমাইল হোসেন শাহ একজন ধর্মপ্রাণ মুসলিম ব্যক্তি ছিলেন। তিনি মসজিদ নির্মাণের জন্য হাসিমপুর পালোয়ানপাড়া জামে মসজিদের নামে ওয়াকফ্ নামা দলিল করে দেন। সেই দলিলে উল্লেখ ছিল যে, তার বড় ছেলে নাজির হোসেন ওয়াকফ্ জমি জমার মোতয়াল্লী বা দায়িত্ব অর্পণ করেন। যাতে মসজিদ দেখাশোনা, দানকৃত জমির খাজনাদি পরিশোধ করেন। তার অবর্তমানে তার ছেলে ও ছেলের বংশানুক্রমে চলতে থাকবে। এরপর নাজির হোসেন সেই দায়িত্ব নিয়ে মসজিদের পার্শ্বে আম, কাঠাল, মেহগনি সহ বিভিন্ন প্রকার গাছ রোপণ করেন। সেই গাছ গুলো সম্পদে পরিণত হওয়ায় তা বিক্রি করে ভোগদখল করার জন্য তাকে বাদ দিয়ে একটি অন্য কমিটি করে গাছ কাটা ও মসজিদ ভাঙচুরের চেষ্টা করে। এ অবস্থায় নাজির হোসেন গত ৬ ডিসেম্বর বিজ্ঞ খানসামা সহকারী জজ আদালতের মাধ্যমে বর্তমান কমিটির সভাপতি আঃ গনি সহ ঐ মসজিদের রহিদুল ইসলাম, আইয়ুব আলী, রবিউল ইসলাম, মাজেদুল ইসলাম, হাছান আলী, ছপেত আলী, সামছল, একরামুল হক, মহসিনকে মসজিদের গাছ কাটা, মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা ও কোন প্রকার বিঘ্ন সৃষ্টি না করতে কারণ দর্শানোর নোটিশ করেন।

ভুক্তভোগী নাজির হোসেন বলেন, বিজ্ঞ খানসামা সহকারী জজ আদালতের কারন দর্শানোে নোটিশের পরও তারা গাছ কেটে ফেলে ও মসজিদ ভাঙচুর করে নিঃস্ব করে ফেলে। এ কাজের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তি দাবি করেন।

তবে মসজিদ কমিটির বর্তমান সভাপতি আঃ গনিসহ কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, মুসল্লীর জায়গা সংকট ও টিন দিয়ে পানি পরার কারনে মসজিদ ভেঙ্গে অভিযোগকারী নাজির হোসেনের জায়গা ফাঁকা রেখে নতুন করে ছাদ দিয়ে বড় মসজিদ করা হচ্ছে।