মোঃ নুরনবী ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক

মাস খানেক আগে মোবাইলে পরিচয় অতঃপর বিয়ের প্রলোভনে গড়ে উঠে প্রেমের সম্পর্ক। এরপর মধ্যে রাতে ফোন করে ডেকে নিয়ে ৩ বন্ধু মিলে প্রেমিকাকে জোর পূর্বক গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (৯জুলাই) মধ্য রাতে উপজেলার খামার বিষ্ণুগঞ্জ এলাকায়।

এ ঘটনায় শনিবার (১০জুলাই) খানসামা থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন ধর্ষিতা মেয়ে। এই কিশোরী ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের খামার বিষ্ণুগঞ্জ মন্ত্রীপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে।

অভিযোগের পরেই মূল আসামী গোবিন্দপুর এলাকার সাহাদাত হোসেনের ছেলে প্রেমিক সেফাউল ইসলাম ওরফে ইমরান (২৫) থানা পুলিশের হাতে আটক হয় এবং খামার বিষ্ণুগঞ্জ মন্ত্রীপাড়া এলাকার সুজন ইসলাম (২২) ও মুকুল শর্মা (২৩) নামে দুজন আসামি পলাতক রয়েছে।

অভিযোগ ও ঐ কিশোরীর সাথে কথা বলে জানা যায়, আনুমানিক ২০-২৫ দিন আগে সেফাউল ইসলাম ওরফে ইমরান ও তার মধ্যে মোবাইলের মাধ্যমে পরিচয় হয়। এরপরে বিয়ের প্রলোভনে তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন প্রেমিক ইমরান। ঘটনার দিন ফোন করে রাতে জরুরী গোপন কথা আছে বলে কাকুতি-মিনতি করলে তার সাথে দেখা করতে রাজি হয় প্রেমিকা। এরপরে বাড়ির বাইরে আসলে প্রেমিক ইমরান এবং উৎ পেতে থাকা প্রেমিকের দুই সহযোগী সুজন ও মুকুল তুলে নিয়ে খামার বিষ্ণুগঞ্জ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টয়লেটের পিছনে নিয়ে যায়। তখন মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে মুখ চেপে ধরে জোর পূর্বক ঐ কিশোরীকে পর্যায়ক্রমে সেফাউল ইসলাম ইমরান, মুকুল শর্মা ও সুজন ইসলাম ধর্ষণ করিতে থাকিলে প্রেমিকা তাঁর ইজ্জত রক্ষার্থে চেচামেচি শুরু করে। চিৎকার চেচামেচি শুনে পথচারীরা এগিয়ে আসলে আসামীরা তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও পড়নের কামিজ নিয়ে যায়। পরে পথচারীরা মেয়েটিকে উদ্ধার করে তাঁর বাবার বাড়িতে পৌঁছে দেয়।

আসামীদের দ্রুত দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি করেন ভুক্তভোগী ঐ কিশোরী।

খানসামা থানার ওসি শেখ কামাল হোসেন বলেন, ঐ কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় ১ জনকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত বাকিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে অভিযান অব্যাহত আছে।