নিজস্ব প্রতিবেদক:

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মাহমুদুল হাসান ২০১৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারী বিসিএস (কৃষি) ক্যাডারের ২৯তম ব্যাচের একজন কৃষি কর্মকর্তা হিসাবে চিরিরবন্দরে যোগদান করেন। কৃষি অফিসার হিসেবে চিরিরবন্দর উপজেলায় যোগদানের পর থেকে গত ২ বছর ১০ মাসে উপজেলাকে কৃষি ক্ষেত্রে সমৃদ্ধ ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে গুরত্বপূর্ণ ভমিকা পালন করছেন।

চিরিরবন্দর উপজেলা কৃষি বৈচিত্র্যে ভরপুর ও দিনাজপুর জেলার মধ্যে খাদ্য শস্য উৎপাদনে অন্যতম একটি উপজেলা আর এই উপজেলাকে কৃষি সমৃদ্ধির উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন কৃষিবিদ মোঃ মাহমুদুল হাসান।

তিনি যোগদানের পর থেকেই তিনি তার অধীনস্থ সকল উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নিয়ে নানা ভাবে উৎসাহিত করে কৃষকদের দ্বারপ্রান্তে সেবা দানের জন্য প্রেরণা যুগিয়েছেন। তার যোগদানের পর কৃষি বিভাগের কার্যক্রমকে কৃষকদের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়াসহ আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও কৃষি কাজকে সবার সামনে দৃশ্যমান ভাবে তিনি ফুটিয়ে তুলছেন।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে চিরিরবন্দরে কৃষকদের কাছে উচ্চ মূল্যের ফসল চাষ ও তা সম্প্রসারণে দলগতভাবে কাজ করছেন কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তারা। যার প্রায় সকল কার্যক্রম জনপ্রতিনিধি গণের সম্পৃক্ততা লক্ষনীয়। তিনি বর্তমান সরকারের কৃষি ক্ষেত্রে অর্জন সমূহ ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের চলমান কার্যক্রম সমূহ বাস্তবায়নে সম্পূর্ন সচেষ্ট রয়েছেন।

তিনি চিরিরবন্দরের শস্য নিবিড়তা, সাথী ফসল চাষ, কন্দাল ফসলের চাষ, মসলা জাতীয় ফসলের চাষ, মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভার্মি কম্পোস্ট, ট্রাইকো কম্পোস্ট এর ব্যবহার, তিল চাষ, কালোজিরা চাষ, ডাল জাতীয় শস্যের সম্প্রসারণ, তেল জাতীয় ফসলের সম্প্রসারণ, মৌ-চাষ, অপ্রচলিত ফলের গ্রাম স্থাপন,আমরা গ্রাম স্থাপন, সজিনা গ্রাম স্থাপন, কৃষকদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নসহ নানা ধরনের জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম চালাচ্ছেন।

তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর বিগত দুইটি ফলদ বৃক্ষমেলা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে উদযাপন করেছেন যা উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা,স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধিসহ মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী কৃর্তক প্রশংসিত হয়। তিনি ফলদ বৃক্ষ মেলাকে একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে বিভিন্ন কৃষি প্রযুক্তির সুন্দর উপস্থাপন করেছিলেন, যাতে মেলায় আগত দর্শনার্থী ও কৃষকগণ কৃষি বিভাগের চলমান কার্যক্রম ও কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে। যার কারনে মেলায় আগত নার্সারী মালিকগণ তার উপস্থাপন দক্ষতা ও কৌশল ব্যবস্থাপনার কারণে প্রচুর গাছ বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছেন।

এছাড়াও কৃষি কর্মকতার্র গুনসম্পূর্ন নের্তৃত্ব ও বিচক্ষণতার কারণে উপজেলার ব্লক পর্যায়ে কর্মরত উপ-সহকারীবৃন্দ তার লক্ষনীয় সমন্বয়ে চিরিরবন্দরের কৃষি পরিবারকে সকলের কাছে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন। তাছাড়া দেখা গেছে তার তত্ত্বাবধানে কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ সাপ্তাহিক ছুটির দিনসহ কৃষকদের স্বার্থে ও কৃষির উন্নয়নের স্বার্থে যে কোন সময় ফসলের মাঠে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ অন্যান্য পরিদর্শনকারী টিমের কাছে কৃষিকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে উপজেলার ভাবমূর্তিকে উজ্জল করে রাখার কাজ করে যাচ্ছেন।

এছাড়া উপজেলা পরিষদ চত্তরে অনুষ্ঠিত উন্নয়ন মেলা ২০১৮ তার নের্তৃত্বে কৃষি বিভাগ কৃষি ক্ষেত্রে উন্নয়নের বর্তমান সরকারের অগ্রযাত্রা তথ্যসহ সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য চিরিরবন্দর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ ১ম স্থান অর্জন করেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মাহমুদুল হাসান তার নেতৃত্বাধীন সকল কার্যক্রমে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।