আবু রায়হান কবির রাসেল, খুলনা সংবাদদাতা :

ফুলের সৌন্দর্য, সুভাষ কে না উপভোগ করতে চায়।মানুষ জন্মগতই সৌন্দর্যের পূজারী।

 সৌন্দর্যের এই মুগ্ধতা  ছড়িয়ে  কেউ জীবিকা নির্বাহ করে, কেউ বা অভাবের সংসারে আর্থিক ভারসাম্য আনয়নে ভূমিকা রাখে।

তেমনি একজন খুলনার মুস্তাকীম। বুকভরা তার স্বপ্ন, লেখাপড়া শিখে সে ডাক্তার হতে চায়। 

কিন্তু বয়স ১১ পার হলেও ( তার ভাষ্যমতে) অভাবের তাড়নায় এখনো স্কুলের বারান্দায় পদার্পনের সুযোগ হয়নি তার।

প্রভাতের পাখিদের মতই সূর্যের আলো ফুটতেই বেরিয়ে পড়ে জীবিকার সন্ধানে । ফুল হাতে ছুটে বেড়ায় বিভিন্ন পার্কের এ প্রান্ত হতে অন্য প্রান্তে। তন্মধ্যে খুলনার জাতিসংঘ পার্ক অন্যতম।

ঘড়ির কাঁটায় তখন ১১.২৫ মি. তখনও সকালে  খাওয়া হয়নি তার। ফুল হাতে নিয়ে ছুটছে প্রেম যুগলদের পিছে। 

মুখে তার একটি ধ্বনি ‘আফা একটা ফুল নেন, ভাইয়া একটা ফুল নেন’

কেউবা নিচ্ছেন কেউবা নয়। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায় তার বাবা জাহাঙ্গীর আলম, মা রাশীদা বেগম। তিন ভাইবোনের অভাবের সংসার। তার বাবার একার  পক্ষে সম্ভব নয় অভাবের সংসার চালানোর।  সে সংসারেই রয়েছে তার বিবাহিত বড় বোন ও বোনের একটি বাচ্চা।

অভাবের তাড়নায় পেটের ক্ষুধা মিটাতে এভাবেই মুস্তাকীম ও মুস্তাকিমের ছোট বোন বেরিয়ে ফুল বিক্রি করতে।

তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সে লেখাপড়া শিখে ডাক্তার হতে চায়। 

অথচো এভাবেই অর্থাভাবে ফুলের সুভাষ ছড়াতেই বিকিয়ে যাচ্ছে দূরন্ত কিশোরের স্বপ্ন।