মোহাম্মদ মানিক হোসেন:

বাইরে থেকে দোকান বন্ধ থাকলেও ভেতরে ক্রেতা সমাগম। শাটার অর্ধেক খোলা রেখে দোকান চলে; পুলিশ, প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেলেই টপাটপ শাটার বন্ধ করে দেয়। লকডাউনের চতুর্থ দিনে দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের  বিভিন্ন বাজারে ব্যবসায়ীদের এমনই নানা কৌশলে দোকান খোলা রাখতে দেখা গেছে।

অধিকাংশ দোকানে এমন দৃশ্য দেখা গেছে- ছবি মানিক হোসেন

আজ রোববার সকাল থেকে উপজেলা সদর, আমবাড়ি, রাণীরবন্দর, ভুষিরবন্দর বাজারের অধিকাংশ দোকানে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। এতে করে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এলাকার সুশীল সমাজের লোকজন।

মানবিধিকার কর্মী ও সাংবাদিক মো. ফজলুর রহমান  বলেন, চিরিরবন্দরে প্রতিদিন যেভাবে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে এখনই সচেতন না হলে, ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে পারে। বাজারে এমনিতেই জ্বর, সর্দিকাশি আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। সবাইকে এখনই সচেতন হতে হবে।

চিরিরবন্দর থানার ইনচার্জ (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার বলেন, চলমান লকডাউন সফল করতে আমরা কাজ করছি। করোনা সংক্রমণ রোধ করতে সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়ীদের সরকারি বিধিনিষেধ মেনে সর্বোচ্চ সচেতন থাকার জন্য  চিরিরবন্দর থানা ও উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আয়েশা সিদ্দীকা বলেন, আমরা দিন রাত কাজ করে যাচ্ছি। করোনা বেড়ে যাচ্ছে, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য আমাদের সচেতন হতে হবে। কারও ঘরে যদি খাবার না থাকে ৩৩৩ নম্বরে কল করে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে খাবার পৌঁছে দেব।