নিজস্ব প্রতিবেদক/মোহাম্মদ মানিক হোসেন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সজীব গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হাশেম ফুডস লিমিটেডের কারাখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুরসালিন ইসলামের (২২) মৃতদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ শনিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় মুরসালিনের মৃতদেহ গ্রহণ করেন তাঁর মামা জুয়েল হক। মরদেহ হস্তান্তর করেন শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাসির উদ্দিন।

এসআই নাসির উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে জরুরি বিভাগে মারা যায় মুরসালিন। আগুন লাগার সময় সে ভবন থেকে লাফিয়ে পড়েছিল।

জুয়েল জানান, মুরসালিন কারখানার তিনতলায় কাজ করতেন। থাকত ভূলতা গাউছিয়ায়। ঘটনার দিন তিনতলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আহত হন। সেখান থেকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাতেই মারা যান তিনি।

জুয়েল আরও জানান, মুরসালিনের গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার উত্তর সুকদারপুর গ্রামে। বাবা আনিছুর রহমান গ্রামে কৃষিকাজ করেন। দুই ভাই-বোনের মধ্যে মোরসালিন বড়। মুরসালিনকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হবে।

এদিকে ঢামেক মর্গে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে মুরসালিনের স্বজনকে দাফনের খরচ বাবদ ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আহত সাতজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাঁরা হলেন– ফাতেমা আক্তার (৩২), আমেনা খাতুন (২২), আবু বক্কর সিদ্দিক (৪৭), মহসিন (২৭), মঞ্জুরুল ইসলাম (২৭), নাহিদ হোসেন (২৬) ও মাজেদা আক্তার (২৮)।

তাঁদের মধ্যে নাহিদ ও মঞ্জুরুল ধোয়ায় অসুস্থ ছিলেন। তাঁদের শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মাজেদা আক্তার, ফাতেমা আক্তার ও আমেনা বেগম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।