মোঃ নুরনবী ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার শুশুলী গ্রামের মনজুরুল ইসলাম নামে এক যুবক টাকা দিয়ে প্রতারণার স্বীকার হয়ে মামলা করলে অভিযুক্ত প্রতারক রুনা লায়লা বাদীকে মামলা তুলে নেয়া ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদানের ঘটনা ঘটেছে।অভিযুক্ত প্রতারক রুনা লায়লা সদর উপজেলা তথ্য আপা প্রকল্প অফিসের সহায়ক পদে চাকুরি করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক সম্পর্কের সুবাদে ভুক্তভোগী যুবক মনজুরুল ইসলামের কাছে অভিযুক্ত রুনা লায়লা ৬ লক্ষ টাকা ধার চান। পরে মনজুরুল ইসলাম সরল বিশ্বাসে ৬ মাসের মধ্যে পরিশোধের শর্তে তাকে টাকা দেন। পরে সেই টাকা ফেরত চাইলে রুনা লায়লা তালবাহানা করে ৬লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করে। সেই চেকটি ডিসঅনার হয়ে গেলে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার ৮ মাস পর সেই টাকা নগদে দেয়ার কথা বলে দিনাজপুর শহরের বালুবাড়ি পানির ট্যাংকির মোড়ে ডেকে নিয়ে অভিযুক্ত প্রতারক রুনা লায়লা, তাঁর স্বামী রিশাদুল ইসলাম রাশেদ ও তাঁর শশুর শহিদুল ইসলাম ভুক্তভোগী যুবক মনজুরুল ইসলামকে মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি প্রদান করে মারমুখী হয়ে উঠে। মনজুরুল ইসলাম তাদের মারমুখী পরিবেশ দেখে চিৎকার করে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় নিরাপদে বাড়িতে ফেরেন। বর্তমানে তিনি জীবন নাশের হুমকিসহ অপকৌশলে সামাজিক ভাবে হেয় করার ভয়ে দিন পার করছেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মনজুরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে আমার পরিবার নিয়ে খুব ভয়-ভীতিতে রয়েছি। প্রতারক রুনা লায়লা ও তার শশুর, স্বামী-ভাই মামলা তুলে নেয়ার জন্য প্রতিনিয়ত বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করতেছে।

অভিযুক্ত রুনা লায়লা মুঠোফোনে টাকা নেয়া ও জড়িত হওয়ার বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে পাওনন টাকা পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানান। তবে কোথায় কোনদিন টাকা দেয়া হয়েছে তা তিনি বলতে রাজি হয় নি।