মো. মানিক হোসেনঃ

কৃষকের আর ঘাম ঝরাতে হয়না। কৃষিতে আধুনিক উপকরণ ব্যবহারের ফলে ফলন বৃদ্ধির পাশাপাশি সময় ও শ্রম দু’টিই কমেছে কৃষকের। অল্প সময়ে অধিক ফলন উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন কৃষকরা। আর এ কাজে সহায়তা করছে কৃষি বিভাগ। তাই উন্নয়নের মুল চাবিকাঠি কৃষি, এরি পেক্ষিতে দিনাজপুর চিরিরবন্দর উপজেলায় ২ দিন ব্যাপি উন্নয়ন মেলায় ২৭ টি স্টলের মধ্যে প্রথম পুরস্কার গ্রহন করলেন চিরিরবন্দর কৃষি বিভাগ।

রবিবার চিরিরবন্দর উপজেলা চত্বরে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ উপলক্ষে সরকারি – বেসরকারী বিভাগ এর ২৭ টি স্টলের অংশগ্রহনের মধ্যে ৩ টি বিভাগকে পুরস্কিত করা হয়।

১ম হয়েছে চিরিরবন্দর উপজেলা কৃষি বিভাগ, ২য় হয়েছে চিরিরবন্দর প্রকৌশলী অধিদপ্তর, ৩য় হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর । রবিবার মেলা শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আয়েশা সিদ্দীকা কৃষি অফিসার মো. মাহমুদুল হাসানের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ইরতিজা হাসান, চিরিরবন্দর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ লায়লা বানু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আয়ুবর রহমান শাহ্, সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ আহসানুল হক মুকুল, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মন্জুরুল হক, সমবায় কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, অফিসার্স ইনচার্জ সুব্রত কুমার সরকার প্রমূখ।

প্রথম পুরস্কার গ্রহন করে চিরিরবন্দর কৃষি অফিসার মো: মাহমুদুল হাসান বলেন, এক সময় আমাদের দেশে কৃষি কাজে প্রাচীন কৃষি উপকরণ ব্যবহার হত। কৃষকরা জমি চাষের জন্য প্রাচীন কৃষি উপকরণ যেমন লাঙ্গল, জোয়াল, মই, পানি সেচের জন্য সেউতি ও দোন এবং নিড়ানোর জন্য আচড়া ইত্যাদি ব্যবহার করতো। এতে করে কৃষকের অধিক সময় অপচয় হতো ও অধিক শ্রমও দিতে হতো। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে বর্তমান আধুনিক কৃষি উপকরণ ব্যবহারের ফলে কৃষকরা অনেক দুর এগিয়ে গেছেন। তারা খুব স্বল্প সময়ে বেশী ফলন উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি অনেক সময়ও সাশ্রয় হয়েছে। উন্নয়ন মেলায় বিভিন্ন ধরনের কৃষি উৎপাদিত পন্য ও কৃষি যন্ত্রপাতি প্রদর্শন করে মেলার সৌন্দয্য বৃদ্ধি করেছে।