দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। এ সময় তারা সম্পাদকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর প্রশ্ন ছিল, যদি আপনারা বিজয়ী হোন তাহলে আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হবেন কে? এ বিষয়ে ড. কামাল হোসেন জানিয়েছেন যে, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনের জিতলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি জানান, আরেকটি প্রশ্ন ছিল, এই নির্বাচনের পর বাংলাদেশের দুটি বিশাল উদযাপন আছে। একটি হচ্ছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী। আরেকটি হচ্ছে- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী। নির্বাচনে বিজয়ী হোন বা পরাজিত হন- এই উৎসগুলো সকলে মিলে পালন করবেন কী না? এসব বিষয়ে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা বলেছেন, এগুলো বিষয়ে তারা তাদের অবস্থান পরিষ্কার করবেন।

শুক্রবার বিকালে ড. কামাল হোসেন ও মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় ওই আলোচনা সভা। নির্বাচন কিভাবে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে, এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের মতামত চেয়ে বক্তব্যের সূত্রপাত করেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবির, আমাদের নতুন সময় সম্পাদক নাইমুল ইসলাম খান, দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, সাপ্তাহিক ২০০০ সম্পাদক গোলাম মুর্তজা, ভয়েস অব আমেরিকার ব্যুরো চিফ আমির খসরু, ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক জাফর সোবহান, ইনকিলাবের যুগ্ম সম্পাদক মুন্সি আবদুল মান্নান, এএফপির ব্যুরো চিফ শফিকুল আলম, বাংলাদেশ প্রতিদিনের যুগ্ম সম্পাদক আবু তাহের, বিডিনিউজের সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, যুগান্তরের চিফ রিপোর্টার মাসুদ করিম, সমকাল চিফ রিপোর্টার লোটন একরামসহ প্রমুখ।

এছাড়া জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন, বিএনপি মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টুসহ প্রমুখ মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল।