মাশরাফি বিন মর্তুজা। নামটির পর আর তেমন কোন বিশেষণের দরকার হয় না। শুধু ক্রিকেট নয়, ব্যক্তিত্ব ও আচরণে তিনি এক অনুকরণীয় আদর্শ।

ব্যক্তি মাশরাফি ধর্মভীরু এটা অনেকেরই জানা। ধর্মীয় কাজগুলো নীরবে-নিভৃতেই করে যান। মাশরাফি বলেন, স্রষ্টার কাছে প্রার্থণা করবো এটা মিডিয়ায় জানানোর কি আছে? তার জীবন চিন্তাধারা অন্য আর আট-দশজনের মতো না। ধর্মীয় চেতনাও প্রবল। সে কারণেই ভক্ত-সমর্থকদের ভালবাসা অন্যদের তুলনায় মাশরাফির প্রতি অনেক বেশি। নাম, ডাক, তারকাখ্যাতি আর আকাশছোয়া জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও তার চলাফেরা ও জীবন যাপন চাকচিক্যহীন ও সাদামাটা।

সদ্য শেষ হওয়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ব্যক্তিগত পারফরমেন্সে তেমন ভাল করতে না পারলেও ফের আলোচনায় এসেছেন মাশরাফি। শেষ ম্যাচের পর পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সময় মাশরাফি যখন সিরিজ জয়ের ট্রফি নিতে আসেন তখন নতুন একটি বিষয় চোখে পড়েছে ভক্তদের। তা হলো- মাশরাফির গায়ে থাকা প্র‍্যাকটিস জার্সিতে বিসিবি লোগার বাঘের মুখটা স্কচস্টেপ দিয়ে আটকানো।

মাশরাফির এই ছবিটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

জানা গেছে, মাশরাফির প্র্যাকটিস জার্সির (কিট জার্সি) প্রতিটিতেই বাঘের মুখে টেপ লাগানো থাকে। এই কিট জার্সি পড়ে তিনি নামাজ পড়েন বলেই বাঘের ছবিটা ঢেকে দিয়েছেন। কারণ, ইসলাম ধর্ম মতে গায়ের পোশাকে কোন জীব জন্তুর ছবি থাকলে নামাজ হবে না। তবে মূল জার্সিতে টেপ মারেন না, কারণ মূল জার্সিটা পড়ে মাশরাফি নামাজ পড়েন না। নামাজের সময়ে ওই জার্সিটা গায়ে থাকে না তার।

নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ছাড়াও পবিত্র মক্কা শরিফে সপরিবারে ওমরাহ পালন করেছেন মাশরাফি। সেই ছবি মাশরাফি নিজেই তার ফেসবুকে পোষ্ট করেন। যা পরে ভাইরাল হয়।

এছাড়াও মাশরাফিকে কুরআন প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে থাকতেও দেখা গেছে। চলতি মাসের ফেব্রুয়ারিতে ‘জাতীয় হিফযুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ২০১৮’-এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে তাকে দেখা যায়।

সূত্র: পূর্বপশ্চিম বিডি।