সজিবুল ইসলাম হৃদয়, লালপুর ( নাটোর) :

রাজশাহী-অাব্দুলপুর রুটে দিন দিন বেড়েই চলেছে তৃতীয় লিঙ্গ (হিজরা) সম্প্রদায়ের চাঁদাবাজি। হিজরাদের এমন কর্মাকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে ট্রেনে ভ্রমন করা যাত্রীরা।

বাংলাদেশের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম ট্রেন।
উত্তরবঙ্গে রাজশাহী-ঢাকা, রাজশাহী-খুলনা, রাজশাহী- পার্বতীপুর, সহ অারো কয়েকটি রুটে প্রায় অর্ধশতাধিক ট্রেন যাতায়াত করে লালপুর উপজেলার অাব্দুলপর জংশন ষ্টেশন হয়ে। অার এই সুযোগ টা কাজে লাগিয়ে যাত্রীদের পকেট কেটে হিজরাদের একটি অংশ হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।

খুলনাগামী কপোতক্ষ এক্সপ্রেসের লিমন নামে এক যাত্রী বলেন_ অামি রাজশাহীতে পড়াশোনা করি। অামার বাসা চুয়াডাঙ্গাতে, রাজশাহী থেকে চুয়াডাঙ্গা বাসে যায়া-অাসা অনেক ঝামেলা, তাই অামি ট্রেনেই যাতায়ত করি। ট্রেনে অাব্দলপুর অাসার পর প্রতেক বারই হিজরাদের টাকা দেওয়া লাগে, টাকা দিতে না চাইলে অশালীন অঙ্গভঙ্গি ও অশালীন অাচারণ করেন। বাধ্য হয়েই টাকা দিতে হয়।

নারীরাও হিজরাদের চাঁদাবাজি থেকে রেহাই পাচ্ছে না। হয়রানির শিকার এক নারী (মরিয়ম নেছা) জানান_ তার স্বামীর চিকিৎসার জন্য রাজশাহী যাচ্ছেন। অাব্দুলপুর অাসার পর তার থেকে ১০ টাকা দাবি করে দাবি করে, তিনি ৫ টাকা দিলে হিজরারা ৫ টাকা নিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং তার সাথে অশালীন কথাবার্তা বলে। বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়।

এছাড়া অনেক যাত্রী জানান , এরা (হিজরারা) দিনে দুপুরে চাঁদাবাজি করছে। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই।

এমতাবস্থায় হিজরাদের পূণবাসন করে অতিশীঘ্রই চাঁদাবাজি বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন রেলে ভ্রমন করা যাত্রীরা।